Seasonal Fever And Homoeopathic Treatment(মওসুমি জর ও তার হোমিওপ্যাথিক চিকিৎসা)

টাইফয়েড

রোগের জীবাণু হলো সালমোনেলা টাইফি (প্যারা টাইফয়েডের-সালমনেলাপ্যারা টাইফি)।

লক্ষণঃ প্রথমে অল্প মাত্রার জর হলেও এর তীব্রতা ধীরে ধীরে বৃদ্ধি পায় এবং ৪ -৫ দিনপর তা অত্যন্ত উচ্চ তাপমাত্রায় পৌছে। এর সাথে মাথা ব্যথা, শরীর ও হাতে পায়ে ব্যথা সহ গাম্যাজ ম্যাজ করা ভাব ও থাকে।

ম্যালেরিয়া জ্বর

লক্ষনঃ খুব উচ্চ তাপমাত্রায় (চল্লিশ ডিগ্রি ফাঃ পর্যন্ত) কাঁপুনি দিয়ে জ্বর আসা এবং তাঘাম দিয়ে ছেড়ে যাওয়া। জ্বর আসা যাওয়া নিয়মিত নির্দিষ্ট বিরতিতে (যেমন দিন পর পর ঘন্টা দীর্ঘ) হতে পারে তবে এটা ঠিক কোন জীবানু টি আক্রমণ করেছে তার উপরনির্ভরশীল।

কালাজ্বর

যে জ্বরে ভুগলে শরীর কালো হয়ে যায় তাকে কালাজ্বর বলে।

লক্ষনঃ প্রথমে অল্প মাত্রার জর থাকলেও পরবর্তীতে তা তীব্র মাত্রা ধারণ করে এবং নিয়মিত বিরতিতে আসা যাওয়া করে। ধীরে ধীরে মুখের রঙ কালচে হয়ে যাওয়া সেই সাথে কাশি এবং ডায়রিয়া ও থাকতে পারে।

হোমিওপ্যাথি ও রোগের ধারনা 

আপনার বিভিন্ন ধরনের জর হতে পারে তার কিছু লক্ষন থাকবে । হতেপারে সে জর, ঠাণ্ডা, বা অন্য কিছু। আমরা আপনার সে লক্ষ্মণগুলি নিয়ে চিকিৎসা করে থাকি। সুতরাং রোগের নাম লিখে কলেবর ব্রিদ্দি করছি না।

হোমিওপ্যাথি চিকিৎসা

 

টাইফয়েড রোগের জীবাণু হলো সালমোনেলা টাইফি (প্যারা টাইফয়েডের-সালমনেলাপ্যারা টাইফি)। লক্ষণঃ প্রথমে অল্প মাত্রার জর হলেও এর তীব্রতা ধীরে ধীরে বৃদ্ধি পায় এবং ৪ -৫ দিনপর তা অত্যন্ত উচ্চ তাপমাত্রায় পৌছে। এর সাথে মাথা ব্যথা, শরীর ও হাতে পায়ে ব্যথা সহ গাম্যাজ ম্যাজ করা ভাব ও থাকে। ম্যালেরিয়া জ্বর লক্ষনঃ খুব উচ্চ তাপমাত্রায় (চল্লিশ ডিগ্রি ফাঃ পর্যন্ত) কাঁপুনি দিয়ে জ্বর আসা এবং তাঘাম দিয়ে ছেড়ে যাওয়া। জ্বর আসা যাওয়া নিয়মিত ও নির্দিষ্ট বিরতিতে (যেমন ১ দিন পর পর৩-৪ ঘন্টা দীর্ঘ) হতে পারে তবে এটা ঠিক কোন জীবানু টি আক্রমণ করেছে তার উপরনির্ভরশীল। কালাজ্বর যে জ্বরে ভুগলে শরীর কালো হয়ে যায় তাকে কালাজ্বর বলে।…

0

User Rating: Be the first one !

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *